
Mehedi Hasan
সেন্দ
শীতের সন্ধ্যা। পাড়া-ভাসাররা সবার আগে ডাকপিয়নকে দেখার জন্য চোখ রাখে। সেই মুহূর্তে, খেজুরের রস দিয়ে মিঠে পিঠা বানানোর ঘ্রাণ বাতাসে ভাসে। সবাই জানে, ডাকপিয়ন আসলে খবর নিয়ে আসে। কেউ অপেক্ষা করে দূরের আত্মীয়র চিঠির জন্য, কেউ বা প্রেমের চিঠির। সাদা-কালো টিভির সামনে শিশুদের কৌতূহল, ফুলে দোলা দেয়া কৃষ্ণচূড়া গাছের নিচে পুরো পাড়ার ভিড়। চিঠি এলে আনন্দে বাঁধ ভাঙে। ছেলেরা চিঠি হাতে নিলেই সবার কাছে ধরা দেয়। ডাকপিয়ন যখন পৌঁছায়, তখন তার একরকম খুশির হাসি থাকে। সে প্রতিদিনের মতোই কাঁধে ব্যাগ নিয়ে আসে, কিন্তু আজ অন্য রকম। চিঠির খামে শুধুই সুখের খবর; হয়তো প্রিয়জনের ছবি কিংবা সুখবর। চিঠির পলীর মধ্যে বাঁধা একটা গোপন কথা আছে। এখন সে সময় নেই। প্রায়ই জোড়ে জোড়ে কথা বলে। কিন্তু যারা সেই চিঠির অপেক্ষায় দিন গুনত, তাদের আবেগ আজও মনে পড়ে। আপনার কি সেই দিনগুলোর কথা মনে আছে?