Amar Gram: Smart Platform: অ্যাপটি ইনস্টল করুন এবং গ্রামের সাথে সংযুক্ত থাকুন। 🌟Install now 

  • Elahabad
  • Elahabad
  • Elahabad
  • Elahabad
স্মার্ট গ্রাম আইডি: V38NZ70

Explore the Digital Profile of Elahabad, ElahabadSmart Village Bangladesh 🇧🇩 | Online Smart Village

এলাহাবাদ- গ্রামের প্রোফাইল ছবি

এলাহাবাদ- গ্রাম

শিক্ষা ,সাহিত্য ,রাজনীতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের আদর্শ গ্রাম।

শাহজালাল রহ: এর সফরসঙ্গী শাহ কামাল ও জামাল রহ: এর “ উটখাড়া” মাজার ।ন্যাপ নেতা মোজাফ্ফর আহমদের বাড়ি।

এলাহাবাদ, দেবিদ্বার, কুমিল্লা

১৫৬ভিউশেয়ার
🤲 আস-সালামু আলাইকুম — এলাহাবাদ- গ্রামের অফিসিয়াল অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম 🌾গ্রামঃ এলাহাবাদ- (Elahabad), পোষ্টঃ এলাহাবাদ, ইউনিয়নঃ এলাহাবাদ, উপজেলাঃ দেবিদ্বার, জেলাঃ কুমিল্লা, বিভাগঃ চট্টগ্রাম।অনলাইন গ্রামস্মার্ট ভিলেজ প্ল্যাটফর্ম
গ্রাম জরিপ

এলাহাবাদ- গ্রাম সম্পর্কে মতামত দিন

গ্রামের সমস্যা, প্রয়োজন ও উন্নয়নের তথ্য জানতে এই জরিপে অংশ নিন।

গ্রামের বাস্তব চিত্রসমস্যা ও প্রয়োজনঅনলাইন জরিপ প্রোফাইল

এক নজরে এলাহাবাদ-

জনসংখ্যা
৯৪৪৩+
আয়তন
৫.১৪ বর্গ কিমি
পাড়া-মহল্লা
১টি
ব্যক্তিত্ব
১ জন
প্রতিষ্ঠান
৪টি
দর্শনীয় স্থান
২টি
প্রতিষ্ঠাকাল
প্রায় এক হাজার বছর আগে প্রতিষ্ঠিত।

পরিচিতি

এলাকাবাসীর সুবিধার্থে ১৯৮৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ভূমি অফিস স্থাপন করা হয়। ⚡ বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ১৯৮০ সালের দিকে এলাহাবাদে পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়। স্থানীয়দের অধিক মোবাইল ব্যবহারের ফলে এখানে গ্রামীণফোন ও একটেল মোবাইল টাওয়ার স্থাপন করা হয়। মোঃ মোস্তাফিজের উদ্যোগে ১০০টিরও বেশি টেলিভিশনে ডিশ সংযোগ চালু করা হয়। লোডশেডিং থেকে মুক্তির জন্য গাজী মার্কেটে জেনারেটর সার্ভিস চালু করেন এরশাদ। মা টেলিকমের জুয়েল দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ চালু করেন এবং কলেজ রোডের কনিকা স্টুডিওতে ফটোকপির সুবিধা চালু হয়। 🚧 সড়ক অবকাঠামো এলাহাবাদ এমন একটি গ্রাম যেখানে একটিও কাঁচা রাস্তা নেই—গ্রামের প্রতিটি সড়ক পাকা। উন্নয়নের এই চিত্র এলাহাবাদকে সত্যিকার অর্থেই দেবীদ্বার উপজেলার মধ্যে নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন এক আদর্শ গ্রামে পরিণত করেছে। সাংবাদিকতা: সাংবাদিক ও কলামিস্ট মমিনুল ইসলাম মোল্লার বাড়ি দেবিদ্ধার উপজেলার এলাহাবাদ গ্রামে। তার দিক্ষা গুরু তার সহোদর বড় ভাই মনিরুল ইসলাম মোল্লা। তার পূর্বে এ গ্রামের কেউ সাংবাদিকতা করেছেন কিন ? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,হ্যা, আমার পূর্ও এলাহাবাদে সাংবাদিক ছিল ।আমার পূর্সূরীদের মধ্যে ছিলেন, হক কথা ও স্পোকসম্যান পত্রিকার সম্পাদক ফয়জুর রহমান ভূ্ইয়া, সাপ্তাহিক নতুন বাংলার সম্পাদক ন্যাপ নেতা অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদ, এত্তফাকের স্টাফ রিপোর্টার অনীল চক্রবর্তী ও তার বড় ভাই নিউজ এসিস্টেন্ট বীজন চক্রবর্তী। এছাড়াও ছিলেন আব্দুল করিম ও সফিকুর রহমান ভূইয়া। ঐতিহ্য, আধুনিকতা এবং নাগরিক উন্নয়নের এক অনন্য মিলনস্থল এলাহাবাদ। ধর্ম, শিক্ষা, সংস্কৃতি, প্রযুক্তি এবং নাগরিক সেবার যে নিদর্শন এই গ্রামে রয়েছে, তা সত্যিই অনুকরণীয়। ভবিষ্যতে এই উন্নয়ন ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে এলাহাবাদ শুধু দেবীদ্বারের নয়—দেশের অন্যতম রোল মডেল গ্রামে রূপান্তরিত হবে, এ আশা করা যায়। লেখক পরিচিতি: মমিনুল ইসলাম মোল্লা, কলামিস্ট, সাংবাদিক ও ঐতিহ্য বিষয়ক লেখক কুমিল্লা ।

ইতিহাস

হাজার বছরের ঐতিহ্য লালিত এলাহাবাদ গ্রাম। এলাহাবাদকে আগে বলা হত ইলাহাবাদ। লোক মুখে জানা যায় এ গ্রামে মুসলমানের সংখ্যা অনেক বেশি ছিল। তারা সবাই গভীরভাবে আল্লাহর ইবাদতে মত্ত ছিল।তাই আল্লাহর আবেদ বান্দাদের সাথে মিলিয়ে নাম রাখা হয় আল্লাহাবাদ। যা কালো ক্রোমে এলাহাবাদ নাম ধারণ করে। এ গ্রাম বহু বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রাচীনকালে এই অঞ্চল ছিল কৃষিনির্ভর। এবং এলাহাবাদের মাটি অন্যান্য জায়গায় তুলনায় অনেক উঁচু হওয়ায় এখানে বছরেচার ফসল ফলে । মাটি অনেক উঁচু হাওয়ায় অন্যান্য গ্রামের লোকেরা ব্যঙ্গ করে বলে " ইলাবাইজ্যা টিলা ''। ঢিলা মানে অনেকটা পাহাড়ের মত উঁচু। তাই এ পর্যন্ত কোন বন্যায় এলাহাবাদের বাড়ি ঘর ডুবে যায়নি।এ গ্রাম ধর্মীয় শিক্ষায় সমৃদ্ধ। গ্রামের বয়স্কদের মুখে শোনা যায় নানা ঐতিহাসিক কাহিনি। যা নতুন প্রজন্মের জন্য অনেকটাই শিক্ষনীয় বার্তা বহন করে। ২) গ্রামীণ জীবন উদাহরণ: গ্রামের মানুষ মূলত কৃষিকাজ ও ছোট ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। অনেকেই বিদেশে কর্মরত, যারা তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে পরিবার ও গ্রামের উন্নয়নে অবদান রাখছেন। ৩) শিক্ষা ও উন্নয়ন উদাহরণ: গ্রামে রয়েছে একাধিক প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারকারী তরুণরা। ডিজিটাল সেবার প্রসার ঘটছে। ৪) কৃষি উদাহরণ: ধান, গম ও সবজি চাষ হয়। ৫) সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উদাহরণ: খেলার মাঠ—ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি। ঈদগাহ মাঠ—ঈদের জামাত আয়োজন। ওয়াজ মাহফিল, স্কুলভিত্তিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

গ্রাম্য জীবন

গ্রামটি উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং পাকা সড়ক যোগাযোগের মাধ্যমে সংযুক্ত। উপজেলা সদরে যাতায়াতে আনুমানিক ২০ মিনিট সময় লাগে। গ্রামটি সমতল ভূমি বিশিষ্ট ও কৃষি–উপযোগী এলাকা হিসেবে পরিচিত। মোট জনসংখ্যা প্রায় ১০,০০০ জন। গ্রামের শিক্ষার হার আনুমানিক ৭০ শতাংশ। এখানে ৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২টি মাদ্রাসা এবং ১টি উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ রয়েছে। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কৃষি এ গ্রামের প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। ধান ও অন্যান্য শস্যের পাশাপাশি শাকসবজি উৎপাদন উল্লেখযোগ্য। গ্রামেই শাকসবজির একটি পাইকারি আড়ত বিদ্যমান থাকায় কৃষকরা সহজে কৃষিপণ্য বিপণন করতে পারছেন। এছাড়া পোল্ট্রি খামার, মৎস্যচাষ ও ডেইরি খামার গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। গ্রামটিতে পাকিস্তান আমল থেকে প্রতিষ্ঠিত একটি বাজার রয়েছে, যেখানে বর্তমানে প্রায় ৩০০টি দোকান কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আর্থিক ও সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে এখানে ৫টি এনজিও অফিস এবং ৫টি বেসরকারি ব্যাংক কার্যক্রম চালু রয়েছে। আশির দশক থেকে গ্রামের জনগণ বিদেশে কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত। বর্তমানে কমপক্ষে ১০টি দেশে প্রবাসী কর্মীরা অবস্থান করছেন, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে রেমিট্যান্সের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। সামগ্রিকভাবে, শিক্ষা, কৃষি, বাজার, প্রবাস ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সমন্বয়ে গ্রামটি একটি সম্ভাবনাময় ও উন্নয়নশীল জনপদ হিসেবে বিবেচিত।

শিক্ষা ও উন্নয়ন

এলাহাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাথমিক শিক্ষা শিক্ষর ভিত রচনা করে। এখানেই শিশুরা শিক্ষার বীজ বপন করে। যে গ্রামে যত আগে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছে সে গ্রাম তত বেশি উন্নত। এলাহাবাদ গ্রামের প্রাথমিক শিক্ষায় অনীল চক্রবতীর দাদা রজনী বাবুর পাঠশালাটির ভু’মিকা অন্যতম । তবে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল বাশার ভ’ইয়ার পিতা ছাদির বক্য ভ’ইয়া। তিনি ৩০ শতক যায়গা দান করে ১৯৪৫সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়া আকামত আলীর প্রচেষ্টায় ১৯৬৮ সালে এলাহাবাদ পূর্ব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১৯৭৩ সালে সীমারকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গড়ে উঠে। বর্তমানে সোনামনিদের জন্য হুমায়ুন কবির প্রতিষ্ঠিত’’ এলাহাবাদ প্রভাতি কিন্ডার গার্টেন’’ ও কয়েকজন শিক্ষানুরাগীদের উদ্দোগে প্রতিষ্ঠিত ’’ উদয়ন কিন্ডার গার্টেন’’ সুনামের সাথে এগিয়ে যাচ্ছে। এলাহাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৪৮ সালে আলহাজ্ব কেয়াম উদ্দীন ভূঁইয়ার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলাধীন এলাহাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়।প্রতিষ্ঠান কালিন সময়ে এলাহাবাদের পাশ্ববর্তী কোন গ্রামে উচ্চ বিদ্যালয় ছিল না। এ এলাকার ছাত্ররা দেবিদ্বার রেয়াজ উদ্দীন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় অথবা জাফরগঞ্জ গঙ্গামঙ্গল রাজ ইনস্টিটিউটে গিয়ে লেখাপড়া করতে হতো। তখন এলাহাবাদের বিশিষ্ট ব্যক্তি কেয়াম উদ্দীন মাষ্টার একটি উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার চিন্তা করলেন। তখন তিনি হোসেন তলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। ১৯৪৮ সালে এটি মাইনর স্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন এ স্কুলে শুধু মাত্র পঞ্চম ও ষষ্ঠ শ্রেণী পড়ার সুযোগ ছিল। পরবর্তীতে এটি অষ্টম পর্যন্ত এবং ক্রমান্বয়ে এস.এস.সি পর্যন্ত পড়ার ব্যবস্থা করা হয়। ১৯৬৭ সালে এ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রথম বারের মত এস.এস.সি. পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। সে বছর ৩৮ জন ছাত্র পাশ করে এবং দুজন দ্বিতীয় বিভাগ লাভ করে। ১৯৭৩ সালে এস.এস.সি. পরীক্ষায় মানবিক বিভাগের মেধা তালিকায় মোঃ শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া তৃতীয় স্থান এবং সম্মিলিত মেধা তালিকায় ১৭ তম স্থান অর্জন করেন। এলাহাবাদ মহাবিদ্যালয় ১৯৯৫ সালে ন্যাপ প্রধান অধ্যাপক মোজফ্ফর আহমদের উদ্দ্যোগে তার নিজ বাড়িতে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠিত করা হয়। পরবর্তীতে এলাহাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের উত্তর পাশে কলেজটি স্থানান্তর করা হয়। কলেজটির নাম ”এলাহাবাদ মহাবিদ্যালয়”। অধ্যক্ষ মোঃ মফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে কলেজটি সুষ্ঠভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এলাহাবাদ ডিজেএস দাখিল মাদ্রাসা ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারের জন্য ১৯৫৯ সালে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয় ।মাদ্রাসার নামে ৫৪ শতক জমি রয়েছে।মাদ্রাসাটির নাম ”এলাহাবাদ ডিজেএস দাখিল মাদ্রাসা”। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে মোঃ দিদার বক্র , আঃ গনি, এবং ক্যাপ্টেন সুজাত আলীর অবদান বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। এখান থেকে প্রতি বছর বহু কৃতি ছাত্র দাখিল পাশ করে দ্বীনের খেদমতে নিয়োজিত হচ্ছে। তাদের মধ্যে মোখলেছুর রহমান, জহিরূল ইসলাম, কবির আহমেদ ও আবু তাহেরের নাম বিশেষভাবে উলেলখযোগ্য। এছাড়া ২০০৮ সালে এলাহাবাদ বাজারের দক্ষিণে গোলাম মোস্তফার উদ্দোগে আল-আমিন হাফেজি মাদ্রাসা ও এতিমখানা নামে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানে ৩০ জন ছাত্রের থাকা খাওয়া ও লেখা পড়ার ব্যাবস্থা রয়েছে। এছাড়া তিনি মসজিদ,খানকাশরীফসহ আল-আমিন বারিয়া কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করেছেন।

কৃষি

এলাহাবাদ গ্রামে ধান, গম, ভুট্টা ও অন্যান্য শস্য উৎপাদন প্রধান জীবিকা। সমতল ভূমি ও সেচ সুবিধা চাষাবাদে সহায়ক। আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার ও উন্নত বীজ প্রয়োগে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। গ্রামের আবাদী জমির পরিমাণ প্রায় ১০০০ একর। বছরে তিনটি মৌসুমি ফসলের পাশাপাশি শীতকালের সব ধরনের শাকসবজি উৎপাদন হয়। পাকিস্তান শাসনগড় থেকে কুমিল্লা পদ্ধতির জনক আক্তার হামিদ খানের উন্নত কৃষি পদ্ধতি এলাহাবাদে চালু রয়েছে। ষাটের দশকে প্রতিষ্ঠিত হয় পানি সেচের ডিপ টিউবওয়েল। মেশিনের মাধ্যমে কিত্তাসক দমন ও আইয়ুব খানের আমলে ইরি ধান চাষও শুরু হয়। তখন গ্রামে ছড়া গাওয়া হতো: "আউলা আউলা পাকিস্তান দেশে আইলো ইরি ধান। বিধানের গন্ধে নয়া ভাবি কান্দে।" বর্তমানে উন্নত মানের ট্রাক্টর দিয়ে হাল চাষ এবং হারভেস্টার মেশিনে ধান কাটা হচ্ছে। পাকিস্তান শাসনামলে এলাহাবাদে কৃষি অফিস স্থাপিত হয়, যেখানে উন্নতমানের বীজ ও সার বিতরণ হত। ১৯৮৬ সালে এখানে পাঁচশত টনের বিরাট খাদ্য গুদাম প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনজন উপসহকারী কর্মকর্তা এলাহাবাদ ইউনিয়নের কৃষি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত। একই বছর কৃষি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আলু থেকে একশত প্রকারের খাদ্য, ৪০ কেজি ওজনের মিষ্টি কুমড়া, বারো হাত লম্বা লাউ এবং ১২ কেজি ওজনের পোল্ট্রি মুরগি প্রদর্শিত হয়।

সামাজিক ও সাংস্কৃতিক

১৯৫৪-৬৫ সাল পর্যন্ত এলাহাবাদ বয়েজ ক্লাব জেলায় আলোচিত ক্রীড়া সংগঠন ছিল । এতে বাবরী ভূইয়া ও দুধমিয়া ভূইয়া বিশেষ অবদান রাখেন। এছাড়া রমিজ সরকার ও দেবেন্দ্র দত্তের ফুটবল টীম বিখ্যাত ছিল ।মনির মোল্লার উদ্যোগে গড়ে উঠেছিল ুনবজাগরণ সংঘ ু চাকুরী থেকে অবসর নিয়ে এলাহাবাদ জনকল্যাণ সংঘ গড়ে তুলেন আবুল হাশেম।

গ্রামের প্রতিটি বাঁশঝাড়, ক্ষেত-খামার, পুকুর আর কাঁচা রাস্তা বয়ে নিয়ে চলে আমাদের শেকড়ের গল্প।

“আমাদের শেকড়, আমাদের গর্ব — এলাহাবাদ-

স্মার্ট গ্রাম অ্যাডমিন