Explore the Digital Profile of Khariyala, DurgapurSmart Village Bangladesh 🇧🇩 | Online Smart Village

খড়িয়ালা গ্রাম
মেঘনা নদীর তীরে খড়িয়ালা
খড়িয়ালা, দুর্গাপুর ইউনিয়ন, আশুগঞ্জ উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা। এখানে বসবাসকারী মানুষের বেশিরভাগ কৃষির উপর নির্ভরশীল।
দুর্গাপুর, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
খড়িয়ালা গ্রাম সম্পর্কে মতামত দিন
গ্রামের সমস্যা, প্রয়োজন ও উন্নয়নের তথ্য জানতে এই জরিপে অংশ নিন।
এক নজরে খড়িয়ালা
- জনসংখ্যা
- ৩৯২৮+
- আয়তন
- ২ বর্গ কিমি
- প্রতিষ্ঠাতা
- খড়িয়ালা" নামটি নিয়ে একটি লোকতত্ত্ব হলো, অতীতে এই অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে 'খড়' বা কৃষি উৎপাদন হতো বলে এমন নামকরণ হতে পারে। তবে এর কোনো দালিলিক প্রমাণ নেই
- প্রতিষ্ঠাকাল
- ১৮০০- ১৯০০এর দশকের মাঝামাঝিতে
পরিচিতি
গ্রামটি দুর্গাপুর ইউনিয়নে অবস্থিত, আশুগঞ্জ উপজেলার অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা এবং চট্টগ্রাম বিভাগে পড়ে। খড়িয়ালা গ্রামের জনসংখ্যা প্রায় ৩,৯২৮ জন, এবং এখানে কৃষি প্রধান জীবনযাত্রা দেখা যায়। গ্রামের জমিগুলো মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত, যা স্থানীয় কৃষিকাজে সহায়তা করে। গ্রামে একটি নামকরা প্রতিষ্ঠান, দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়, শিক্ষার সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এখানকার মানুষ সাধারণত ধান চাষ করে, এবং বাজারে তারা তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করে। পাশের গ্রামের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়ে, যেমন তাজপুর, বাহাদুরপুর এবং সোহাগপুর, এই এলাকা কৃষি ও সামাজিক জীবনযাত্রায় সমৃদ্ধ।
ইতিহাস
প্রাচীনকালে এই অঞ্চলটি সরাইল পরগনার অংশ ছিল। ধারণা করা হয়, মধ্যযুগে বা ব্রিটিশ আমলের শুরুর দিকে সরাইলের দেওয়ান বা স্থানীয় কোনো প্রভাবশালী ভূস্বামী এই এলাকায় বসতি স্থাপনে সহায়তা করেছিলেন ।মূলত কৃষি এবং মহাসড়ক সংলগ্ন অবস্থানের কারণে এটি ধীরে ধীরে একটি সমৃদ্ধ গ্রামে পরিণত হয়।বংশানুক্রমিক বসতি: গ্রামে বর্তমানে বসবাসকারী প্রভাবশালী বংশগুলোর আদি পুরুষরা কয়েকশ বছর আগে এখানে এসে বসতি স্থাপন করেছিলেন বলে ধারণা করা হয়। বিশেষ করে বর্তমান মেম্বার সাইদুল্লাহ ভুঁইয়ার বংশ সহ অন্যান্য স্থানীয় পরিবারগুলোর ইতিহাস এই গ্রামের প্রসারের সাথে যুক্ত .বিখ্যাত কারিগরদের আদি নিবাস: এই গ্রামের একটি শক্তিশালী সামাজিক তত্ত্ব হলো এর কারিগর সম্প্রদায়। কুমিল্লার বিখ্যাত মিষ্টি ব্যবসায়ী খনিন্দ্র সেন ও মণিন্দ্র সেন ছিলেন এই গ্রামের মানুষ। ১৯০০-এর দশকের শুরুতেই তারা কুমিল্লায় প্রতিষ্ঠিত হন, যা প্রমাণ করে যে ১৮০০-এর দশকের মাঝামাঝিতেও খড়িয়ালা একটি সুসংগঠিত এবং সামাজিকভাবে সচেতন জনপদ ছিল। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের খড়িয়ালা গ্রামটি একটি জনবহুল এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এই গ্রাম সম্পর্কে কিছু উল্লেখযোগ্য তথ্য নিচে দেওয়া হলো:অবস্থান ও জনসংখ্যা: খড়িয়ালা গ্রামটি দুর্গাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের । ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, এই গ্রামের জনসংখ্যা প্রায় ৩,৯২৮ জন (পুরুষ- ১,৮৯৯ এবং মহিলা- ২,০২৯ জন) ।ভৌগোলিক ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব: এটি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশেই অবস্থিত। খড়িয়ালা বাসস্ট্যান্ড এলাকাটি স্থানীয়দের জন্য একটি বড় বাণিজ্যিক পয়েন্ট, যেখানে একটি ব্যস্ত গ্রাম্য বাজার (Vegetable & Fish Market) রয়েছে ।শিক্ষা ও অবকাঠামো: গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সম্প্রতি এখানে ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং রাস্তাঘাট উন্নয়নের জন্য এডিবি (ADB) ও এলজিএসপি (LGSP) প্রকল্পের কাজ পরিচালিত হয়েছে ]।ঐতিহ্য: কুমিল্লার বিখ্যাত মিষ্টির দোকান 'মাতৃভাণ্ডার'-এর প্রতিষ্ঠাতা খনিন্দ্র সেন এবং মণিন্দ্র সেনের আদি নিবাস এই খড়িয়ালা গ্রামেই।জনপ্রতিনিধি: বর্তমানে এই এলাকার জনপ্রতিনিধি হিসেবে ইউপি মেম্বার সাইদুল্লাহ ভূইয়া (২ নং ওয়ার্ড) দায়িত্ব পালন করছেন ]।
গ্রামের প্রতিটি বাঁশঝাড়, ক্ষেত-খামার, পুকুর আর কাঁচা রাস্তা বয়ে নিয়ে চলে আমাদের শেকড়ের গল্প।
“আমাদের শেকড়, আমাদের গর্ব — খড়িয়ালা”



