Explore the Digital Profile of Mohammadpur, RaozanSmart Village Bangladesh 🇧🇩 | Online Smart Village

মোহাম্মদপুর গ্রাম
আমাদের মোহাম্মদপুর, জ্ঞানীগুনি এবং অলি আল্লাহদের এক সম্মৃদ্ধ উর্বরভূমি।
ইতিহাস ঐতিহ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, সাহিত্য,সংস্কৃতি প্রভৃতি অঙ্গনে মোহাম্মদপুর রাউজানের একটি সুপরিচিত ঐতিহ্যবাহী গ্রাম।
রাউজান, রাউজান, চট্টগ্রাম
মোহাম্মদপুর গ্রাম সম্পর্কে মতামত দিন
গ্রামের সমস্যা, প্রয়োজন ও উন্নয়নের তথ্য জানতে এই জরিপে অংশ নিন।
এক নজরে মোহাম্মদপুর
- পোস্টমোহাম্মদপুর
- ইউনিয়নরাউজান
- উপজেলারাউজান
- জেলাচট্টগ্রাম
- বিভাগচট্টগ্রাম
- জনসংখ্যা
- ৪৭৬০+
- আয়তন
- ৮.৮ বর্গ কিমি
- পাড়া-মহল্লা
- ১টি
- প্রতিষ্ঠাতা
- হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু
- প্রতিষ্ঠাকাল
- বিট্রিশ আমল
পরিচিতি
ঐতিহ্যবাহী মোহাম্মদপুর গ্রামকে বলা হয় মসজিদের গ্রাম। কারণ এই গ্রামের প্রায় প্রতিটা অলি গলিতেই একটি করে মসজিদ কিংবা ইবাদতখানা পাওয়া যায়। ইতিহাস ঐতিহ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, সাহিত্য,সংস্কৃতি,সংগীত,শিল্প,ব্যবসায়, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি প্রভৃতি অঙ্গনে মোহাম্মদপুর রাউজানের একটি সুপরিচিত ঐতিহ্যবাহী গ্রাম। গ্রামের ইতিহাস অনুসন্ধিৎসুর সংগ্রহীত তথ্যরাশি থেকে জানা যায়, ব্রিটিশ আমল থেকেই এই গ্রামের মানুষ ছিল সমাজ সচেতন,ভ্রাতৃত্ব পরায়ণ ও নেতৃত্বের গুণাবলী সম্পন্ন।ব্রিটিশ সময়ে রাউজানের ডাবুয়ায় সৃস্ট হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা সুনিপুণ সমাধান করে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন রচনার নেপথ্যে ছিলেন এই গ্রামেরই বরপুত্র নুরুল আবচার চৌধুরী।তদানীন্তন সময়ে যিনি "বড় মিয়া" নামে সুপরিচিত ছিলেন।মহাদেবপুর থেকে মোহাম্মদপুর নামকরণে ভূমিকা এবং সমাজের প্রভূত কল্যাণে তিনি সহ অনেকে ব্যাপক অবদান রাখেন। আমাদের গ্রামটি নানা ভাবে সমৃদ্ধ ও উন্নত একটি গ্রাম। এই গ্রামে রয়েছে পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। রয়েছে প্রাথমিক ও উচ্চবিদ্যালয়, দাখিল মাদরাসা, নূরানী ও হাফেজি মাদরাসা, পাঠাগার, মসজিদ, মাজার, সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল, ইউনিয়ন পরিষদ, প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী বাজার, কমিউনিটি সেন্টার, নিকাহ কার্যালয়, কমিউনিটি ক্লিনিক, বিভিন্ন ধর্মী য় ও সামাজিক সংগঠন । রয়েছে নাগরিক সকল সুযোগ সুবিধা যেমন: উন্নত যোগাযোগ বিদ্যুৎ, গ্যাস ইত্যাদি। এই গ্রামে নেই স্কুল ঝরে পড়া কোন শিক্ষার্থী বরং দেশ- বিদেশের খ্যাতনামা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছে এই গ্রামের অনেক সন্তান। শিল্প ও ব্যবসায়ে এই গ্রামের ভূমিজ সন্তানদের বিশেষ একটা পরিচিতি বহন করে। এই গ্রামের অনেক সন্তান সরকারি বেসরকারি পদস্থ কর্মকর্তা। প্রভৃতি দিক দিয়ে মোহাম্মদপুর অত্যন্ত সু্ন্দর গ্রাম যেনো শিল্পীর তুলিতে আঁকা।
ইতিহাস
ঐতিহ্যবাহী মোহাম্মদপুর গ্রামকে বলা হয় মসজিদের গ্রাম। কারণ এই গ্রামের প্রায় প্রতিটা অলি গলিতেই একটি করে মসজিদ কিংবা ইবাদতখানা পাওয়া যায়। ইতিহাস ঐতিহ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, সাহিত্য,সংস্কৃতি,সংগীত,শিল্প,ব্যবসায়, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি প্রভৃতি অঙ্গনে মোহাম্মদপুর রাউজানের একটি সুপরিচিত ঐতিহ্যবাহী গ্রাম। গ্রামের ইতিহাস অনুসন্ধিৎসুর সংগ্রহীত তথ্যরাশি থেকে জানা যায়, ব্রিটিশ আমল থেকেই এই গ্রামের মানুষ ছিল সমাজ সচেতন,ভ্রাতৃত্ব পরায়ণ ও নেতৃত্বের গুণাবলী সম্পন্ন।ব্রিটিশ সময়ে রাউজানের ডাবুয়ায় সৃস্ট হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা সুনিপুণ সমাধান করে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন রচনার নেপথ্যে ছিলেন এই গ্রামেরই বরপুত্র নুরুল আবচার চৌধুরী।তদানীন্তন সময়ে যিনি "বড় মিয়া" নামে সুপরিচিত ছিলেন।মহাদেবপুর থেকে মোহাম্মদপুর নামকরণে ভূমিকা এবং সমাজের প্রভূত কল্যাণে তিনি সহ অনেকে ব্যাপক অবদান রাখেন।
গ্রাম্য জীবন
আমাদের গ্রামটি নানা ভাবে সমৃদ্ধ ও উন্নত একটি গ্রাম। এই গ্রামে রয়েছে পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। রয়েছে প্রাথমিক ও উচ্চবিদ্যালয়, দাখিল মাদরাসা, নূরানী ও হাফেজি মাদরাসা, পাঠাগার, মসজিদ, মাজার, সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল, ইউনিয়ন পরিষদ, প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী বাজার, কমিউনিটি সেন্টার, নিকাহ কার্যালয়, কমিউনিটি ক্লিনিক, বিভিন্ন ধর্মী য় ও সামাজিক সংগঠন । রয়েছে নাগরিক সকল সুযোগ সুবিধা যেমন: উন্নত যোগাযোগ বিদ্যুৎ, গ্যাস ইত্যাদি। এই গ্রামে নেই স্কুল ঝরে পড়া কোন শিক্ষার্থী বরং দেশ- বিদেশের খ্যাতনামা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছে এই গ্রামের অনেক সন্তান। শিল্প ও ব্যবসায়ে এই গ্রামের ভূমিজ সন্তানদের বিশেষ একটা পরিচিতি বহন করে। এই গ্রামের অনেক সন্তান সরকারি বেসরকারি পদস্থ কর্মকর্তা। প্রভৃতি দিক দিয়ে মোহাম্মদপুর অত্যন্ত সু্ন্দর গ্রাম যেনো শিল্পীর তুলিতে আঁকা।
আরও তথ্য
- ১০ লক্ষ থেকে ১২ লক্ষ টাকা: প্রতি গন্ডা
গ্রামের প্রতিটি বাঁশঝাড়, ক্ষেত-খামার, পুকুর আর কাঁচা রাস্তা বয়ে নিয়ে চলে আমাদের শেকড়ের গল্প।
“আমাদের শেকড়, আমাদের গর্ব — মোহাম্মদপুর”



