
Md Masukur Rahman
খড়ারিয়া
কোনও লেখা সংযুক্ত নেই।

গ্রামের নতুন গল্প, ছবি ও অনুভূতি জানার জন্য Amar Gram নিউজফিডে ফিরে আসুন।

Md Masukur Rahman
খড়ারিয়া
কোনও লেখা সংযুক্ত নেই।

এই পোস্টটি যে গ্রামের
খড়ারিয়া গ্রাম
গ্রামের ইতিহাস, প্রতিষ্ঠান, পাড়া-মহল্লা ও দর্শনীয় স্থানের তথ্য দেখুন।
গ্রামের মানুষের লেখা আরও কিছু গল্প ও মুহূর্ত।
Md Masukur Rahman
খড়ারিয়া৩ দিন আগে
Aman
১ দিন আগে
মিজানুর রহমান মোল্লা
গ্রামের নাম: কুলিয়া ইউনিয়ন: ৪ নং কুলিয়া ইউনিয়ন, মোল্লাহাট, বাগেরহাট আমাদের কুলিয়ার ঐতিহাসিক দৈব মসজিদ আমাদের কুলিয়া গ্রামটি ঐতিহ্য ও সৌন্দর্যে ভরপুর। এই গ্রামের অন্যতম এক অমূল্য নিদর্শন হলো আমাদের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন "দৈব মসজিদ"। এই মসজিদটির নির্মাণশৈলী অত্যন্ত প্রাচীন এবং এটি সম্পূর্ণ চুন-সুরকি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। কালের সাক্ষী এই মসজিদটি ঠিক কত বছর আগের বা কে এটি নির্মাণ করেছিলেন, তার সঠিক ইতিহাস বা সাল-তারিখ আজ আর কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারেন না। এর প্রাচীন গঠনশৈলী আর রহস্যময় ইতিহাস আমাদের গ্রামকে সবসময়ই এক আলাদা গৌরব এনে দিয়েছে। সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হলো, এই ঐতিহাসিক মসজিদটি দেখতে শুধু আমাদের এলাকা বা আশেপাশের থানা-ইউনিয়ন থেকেই নয়, বরং বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে দূর-দূরত্ব থেকে মানুষ ছুটে আসেন। দর্শনার্থী ও ভক্তরা এখানে এসে শুধু মসজিদটি দেখেই ক্ষান্ত হন না, এর উন্নয়নে ও মেরামতের জন্য সাধ্যমতো টাকা দান করেন। এছাড়া অনেকে এখানে বিভিন্ন মান্নত করেন—যেমন ছাগল, মুরগি, হাঁস, নারকেল, দুধ, ডিম ইত্যাদি মানত হিসেবে নিয়ে আসেন। আমাদের এই প্রাচীন নিদর্শনটি আমাদের শিকড় ও ঐতিহ্যের এক দারুণ প্রতীক। আপনারা যারা আমাদের কুলিয়া গ্রামে আসবেন, এই ঐতিহাসিক দৈব মসজিদটি একনজর দেখে যাওয়ার বিনীত আমন্ত্রণ রইল। #ঐতিহাসিক_স্থান, #গ্রামের_জীবন, #শৈশব_স্মৃতি)
১ দিন আগে
গরখা'গ্রাম, Gorkhan,village
খান, কাজি,তালুকদার এবং বংশের মারা মারি, *১. ভূমিকা* মাদারীপুর জেলার সদর উপজেলার অন্তর্গত ঝাউদি ইউনিয়নের একটি ঐতিহ্যবাহী গ্রাম হলো গরখা মোবারকদী। এখানে দীর্ঘদিন ধরে তালুকদার বাড়ি, খান বাড়ি, কাজি বাড়ি সহ বেশ কয়েকটি পরিবার পাশাপাশি মিলেমিশে বসবাস করে আসছে। *২. সামাজিক বন্ধন* এই এলাকার মানুষের মধ্যে আত্মীয়তা ও সামাজিক বন্ধন অত্যন্ত দৃঢ়। যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠান, বিপদ-আপদে সব বাড়ির মানুষ একসাথে থাকতো। এলাকার প্রবীণ ব্যক্তিদের স্থানীয়ভাবে অত্যন্ত সম্মান করা হয় এবং তাদের কথায় অনেক বিরোধের মীমাংসা হতো। *৩. সাম্প্রতিক সমস্যার সূত্রপাত* স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ অনুযায়ী, সম্প্রতি কিছু রাব্বি তালুকদার, রনি তালুকদার, এদের উস্কানিদাতা জামসেদ সরদারের ছেলে, (মোট অনিক) এবং শহিদ শেখের ছেলে অনিক, ব্যক্তির প্রভাবে এলাকায় বিভাজন তৈরি হয়েছে। নিজেদের সুবিধা ও প্রভাব বিস্তারের জন্য একটি একক এলাকাকে মানসিকভাবে দুই ভাগে ভাগ করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে যা ঘটছে: - ছোট ছোট বিষয় নিয়ে গালাগালি ও ঝগড়া - বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ - এক গ্রামের ছোট ছেলেরা অন্য পাসে গেলে বিনা কারণে মারধরের শিকার হওয়া - বয়স্ক ও সম্মানিত ব্যক্তিদের সাথে বেয়াদবিমূলক আচরণ, এই রাব্বি তালুকদার বাবার বয়সি লোক দবির খান, ১০০ মানুষের কাছে জিজ্ঞেস করে দাবির খান কেমন লোক ৯৯ জন লোক বলবে দবির খান ভালো লোক সেই মানুষ টা কে, রাব্বি তালুকদার কাজের সাইডে বসে বেলচা দিয়ে পিটাইছে এটা কি মেনে নেওয়া যায়, 😭 স্থানীয়দের মতে, বেশিরভাগ মানুষই শান্তিপ্রিয়। কিন্তু কিছু উচ্ছৃঙ্খল যুবকের উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে পুরো এলাকার বদনাম হচ্ছে এবং সব পরিবারের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি বাড়ছে। *৪. এর প্রভাব* এই ধরনের ঘটনায় এলাকার সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। শিশু-কিশোরদের মনে ভয় ও বিদ্বেষ ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। পাশাপাশি বসবাসকারী পরিবারগুলোর শত বছরের সম্প্রীতি নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। *৫. প্রত্যাশিত সমাধান* এলাকাবাসীর প্রত্যাশা: ১. ইউনিয়ন পরিষদ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে বসে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা বৈঠক করা। ২. যারা উস্কানি দিচ্ছে তাদের চিহ্নিত করে সামাজিকভাবে বোঝানো এবং প্রয়োজনে আইনের আওতায় আনা। ৩. কোনো ঘটনাকে ব্যক্তিগত প্রতিশোধ না বানিয়ে থানা ও প্রশাসনের মাধ্যমে আইনগতভাবে সমাধান করা। ৪. যুব সমাজকে খেলাধুলা ও সামাজিক কাজে সম্পৃক্ত করা, যাতে তারা বিশৃঙ্খলায় না জড়ায়। *উপসংহার:* গরখা মোবারকদী কোনো বিচ্ছিন্ন এলাকা নয়, এটি একটি পরিবারের মতো। কয়েকজনের ভুলের কারণে পুরো এলাকার শান্তি নষ্ট হতে পারে না। সব বাড়ির শান্তিপ্রিয় মানুষ একসাথে থাকলে বহিরাগত উস্কানি এই দুই অনিক এমনিতেই বন্ধ হয়ে যাবে। ---
গরখান,মোবারকদি২ দিন আগে
মোঃ মোশাররফ হোসেন সাগর
আমাদের বতিহালা গ্রামের সাধারণ মানুষ কে জিম্মি করে রাখে কিছু দালালের দল
বতিহালা২ দিন আগে
মোঃ আলিম সেখ
📢 স্মার্ট ভিলেজ অ্যাডমিন হতে ১০০ টাকা পেমেন্ট সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আসসালামু আলাইকুম। আমি আপনাদের ওয়েবসাইটে স্মার্ট ভিলেজ অ্যাডমিন হওয়ার জন্য আবেদন করতে আগ্রহী। ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে দেখতে পেয়েছি, স্মার্ট ভিলেজ অ্যাডমিন হওয়ার জন্য ১০০ টাকা বিকাশে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানে আবার ৮১০০ টাকার স্মার্ট ভিলেজ অ্যাডমিন প্যাকেজের কথাও উল্লেখ রয়েছে। এ বিষয়ে আমার কয়েকটি প্রশ্ন রয়েছে। আশা করি, কর্তৃপক্ষ বিষয়গুলো পরিষ্কারভাবে জানাবেন। ১। ১০০ টাকাই কি সম্পূর্ণ খরচ? ১০০ টাকা বিকাশে পাঠালেই কি স্মার্ট ভিলেজ অ্যাডমিন হওয়ার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ হবে, নাকি পরবর্তীতে আরও টাকা দিতে হবে? ২। মোট কত টাকা খরচ হবে? আবেদন ফি, রেজিস্ট্রেশন ফি, অ্যাডমিন ফি ও অন্যান্য চার্জসহ সব মিলিয়ে মোট কত টাকা দিতে হবে? ৩। ১০০ টাকায় কত দিনের মেয়াদ থাকবে? ১০০ টাকা পেমেন্ট করলে অ্যাডমিন অ্যাকাউন্ট কত দিন, কত মাস বা কত বছর সক্রিয় থাকবে? এটি কি আজীবনের জন্য, নাকি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য? ৪। মেয়াদ শেষ হলে কী হবে? মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অ্যাকাউন্ট চালু রাখতে আবার টাকা দিতে হবে কি? দিতে হলে কত টাকা এবং কত দিন পরপর দিতে হবে? ৫। ৮১০০ টাকার প্যাকেজের সঙ্গে ১০০ টাকার সম্পর্ক কী? ৮১০০ টাকা কি সম্পূর্ণ প্যাকেজের মূল্য, নাকি ১০০ টাকা শুধু প্রাথমিক আবেদন বা রেজিস্ট্রেশন ফি? এই দুই ধরনের পেমেন্টের পার্থক্য কী? ৬। আবেদন অনুমোদন না হলে টাকা ফেরত পাওয়া যাবে কি? ১০০ টাকা পাঠানোর পর আবেদন অনুমোদিত না হলে টাকা ফেরত পাওয়ার ব্যবস্থা আছে কি? ৭। ভবিষ্যতে কি কোনো বাধ্যতামূলক খরচ আছে? মাসিক, বার্ষিক বা অন্য কোনো ফি দিতে হবে কি? অ্যাডমিন হিসেবে কাজ করতে ভবিষ্যতে আর কী কী খরচ হতে পারে? ৮। পেমেন্টের অফিসিয়াল রসিদ পাওয়া যাবে কি? টাকা পাঠানোর পর পেমেন্ট নিশ্চিতকরণ ও অফিসিয়াল রসিদ কীভাবে পাওয়া যাবে? আমি কোনো ভুল বোঝাবুঝি ছাড়াই সম্পূর্ণ বিষয়টি বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে চাই। তাই কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ, দয়া করে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর বিস্তারিতভাবে জানাবেন, যাতে অন্য আগ্রহী ব্যক্তিরাও বিষয়টি পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারেন। আমি এই প্রশ্নগুলো কাউকে দোষারোপ করার জন্য করছি না। টাকা দেওয়ার আগে সঠিক তথ্য জানা এবং মোট খরচ ও মেয়াদ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া আমার উদ্দেশ্য। কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত অনুরোধ, বিষয়গুলোর পরিষ্কার উত্তর দিয়ে সহযোগিতা করবেন। ধন্যবাদ।
ইসলামপুর৫ দিন আগে