
mohammod maminul Islam
এলাহাবাদ-
সাংবাদিকতায় হাতে ঘড়ি ও ১০০ পত্রিকার কথা।।র ধওে সাংবাদিকতার সাথে জড়িত রয়েছেন মমিনুল ইসলাম মোল্লা। এসময় তিনি শতাধিক পত্রিকায় লিখেছেন। প্রিন্ট মিডিয়া, অনলাইন নিউজপেপার ও রেডিও সাংবাদিকতায় সময় দিচ্ছেন।তথ্য মন্ত্রনালয়ের হিসেব মতে, দেশে অনলাইন পত্রিকার সংখ্যা ১৫৩টি। এর মধ্যে ১০১টি পত্রিকার সাথে জড়িত রয়েছেন চারন সাংবাদিক, প্রভাষক, ফিচার লেখকও কলামিস্ট কুমিল্লার দেবিদ্বারের ( এলাহাবাদের ) কৃতি সন্তান মমিনুল ইসলাম মোলাø। তিনি মনে করেন একই ধরণের পত্রিকা সকল শ্রেনীর পাঠককে আকৃষ্ট করেনা। ধর্ম, রাজনীতি ও আদর্শের কারণে পাঠকদের রুচিগত ভিন্নতা লক্ষ করা যায়। তাই কোন একটি পত্রিকার সাথে যোগাযোগ রেখে সকল পাঠকের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। তাই তিনি স্থানীয়, জাতীয়, দেশের ভেতরের, বাইরের বিভিন্ন বাংলা অনলাইন পত্রিকায় লিখছেন। লিখতে লিখতে একদিন খেয়াল করলেন ১০০ টির বেশি পত্রিকা হয়ে গেছে, এ যেন অন্যরকম “সেঞ্চুরী” । । নিন্মে তার সাথে আলাপচারিতার বিষয়টি প্রশ্নোত্তর আকাওে ছাপানো হলো। ১. শিক্ষা সংক্রান্ত কোন ঘটনা থাকলে বলুন। ৬ষ্ঠ শেণিতে পড়াকালীন সময়ে ১ম সাময়িক পরীক্ষায় ইংরেজী ২য় পত্রে ফেল করি। তখন এ বিষয়টি পড়াতেন প্রধান শিক্ষক জনাব আঃ মতিন। তিনি ফেল করা সবাইকে ইচ্ছেমত শাস্তি দিলেন। আমাকে বল্লেন তোমাদের বাড়ির পাশের দু ভাইকে চেন? তাদের মধ্যে বড় ভাই বড় অফিসার ছোট ভাই মাঠে কাজ করে । তোমার ভাইয়েরা সবাই আমার ছাত্র ছিল ওরা সবাই ভাল ছিল , তুমি ভালভাবে লেখা পড়া না করলে তোমার অবস্থা ও সেই দুভাইয়ের মধ্যে ছোট ভাইয়ের মত হবে। ওরা একই মায়ের পেটের ভাই অথচ লেখাপড়ার কারণে তাদের এ অবস্থা। স্যারের কথাটি আমাকে ভাবিয়ে তোলে। ত ারপর জীবনের কোন পরীক্ষায় অকৃতকার্য হইনি। ২. যে দিন খুব কেঁদেছিলেন ঃ ১৯৯১ সালে ও এইচএসসি পরীক্ষায় কৃষি বিজ্ঞান ব্যবহারিক পরীক্ষায় অজ্ঞতাবশত পরীক্ষার হলে উপস্থিত হতে না পেরে প্রচুর কেঁদেছিলাম। পরে শুনলাম অন্য ব্যাচের সাথে পরীক্ষা দেয়া যাবে, তখন কিছুটা রক্ষা পেলাম। ৩. আপনার জীবনের একটি আনন্দদায়ক আনন্দদায়ক ঘটনার কথা বলুন । আমার স্ত্রী ২২ দিন হাসপাতালে থাকার পর ২০০৭ সালের ১০ জুলাই মঙ্গলবার ঢাকার হলিফ্যামিলি হাসপাতালে আমার বড় ছেলে তাজিম উল মুমিন জনম নেয়। ৪. পত্রিকার সাহিত্য পাতায় কখনও কাজ করেছেন ? হ্যাঁ। আমি যখন চাঁচপুরের শাহতলী কামিল মাদ্রাসয় রাষ্ট্রবিজ্ঞান প্রভাষক হিসেবে চাকুরি করি তখন সেখানকার প্রধান দৈানক “চাঁদপুর প্রবাহ” পত্রিকায় সহকারী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করি। তখন সাহিত্য পাতাটি আমি দেখতাম। ৫. নিজে কিছু লিখতেন কি না ? আমি যখন ৮ম শ্রেণীতে পড়ি তখন ২৬ শে মার্চ উপলক্ষে স্বরচিত কবিতা আবৃত্তির একটি আইটেম ছিল ,তাতে অংশগ্রহন করতে গিয়ে প্রথম কবিতা লিখা । একসময় দেখলাম আমার কবিতার সংখ্যা ৩০০ হয়ে গেছে। তখন কুমিল্লার ও ঢাকার বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় এগুলো পাীঠয়ে দেই। বেশ কয়েকটি কবিতা তখন ছাপা হয়েছিল। এছাড়া রেডিও বাংলাদেশ খুলনা কেন্দ্রে কবিতার উপর একটি অনুষ্ঠান ছিল তাতে কবিত্ পাঠাতাম।আমি জাতীয় কবিতা পরিষদেও কুমিল্লা শাখার সাথে জড়িত। এছাড়া বিশিস্ট লেখক মোতাহের হোসেন মাহবুব পরিচালিত বিনয় সাহিত্য সংসদের সদস্য। ৬. গল্প/ উপন্যাস কিছু লিখেছেন কী ? আমেনা ও তার ৩ সন্তান নামে একটি গল্প বেশ সাড়া জাগিয়েছিল। এছাড়া আমার ৫টি উপন্যাসের পান্ডুলিপি ছিল। ঢাকার সেবা প্রকাশনী একটি উপন্যাস ছাপানোর জন্য চুক্তি করেছিল কিন্তু হঠাৎ করে কাগজের দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা সেটি আর ছাপেনি। ৭. প্রথম প্রকাশিত লেখার কথা বলুন। ফিচার-চাঁদপুরের লঞ্চ দুর্ঘটনা নিয়ে দৈনিক বাংলা বাজার পত্রিকয় ১৯৯২ সালে প্রকাশিত। নিউজ-দেবিদ্বাওে ৩ সন্তানের জননী ইধাও,সাপাপ্তাহিক গ্রামাঞ্চল, খুলনা।১.১.১৯৮৮কলাম-কেমনন স্থানীয় সরকার চাই ( হলিইড বাংলা ডট কম এ প্রকাশিত)। ৮. লিখে উপার্জণ করেন কি? একজন ইংরেজ কবি লিখেছেন-“হি হু রাইটস উইথাউট মানি ইজ ব্লকহেড”। আমি সেটি বিশ্বাস করি। ৯. লিখার ক্ষেত্রে ব্যাবসায়িক মনোভাব থাকলে দোষ কী ?“ আমরা খাওয়ার জন্য বাঁচিনা , বাঁচার জন্য খাই। তেমনিভাবে যথোপযুক্ত সম্মানি নেয়া দোষের কিছু নয়। ১০. কেউ সমালোচনা করলে সেটি কিভাবে নেন ? গঠনমূলক সমালোচনা করলে ভাল লাগে। অহেতুক প্রশংসার চেয়ে যুক্তিযুক্ত সমালোচনা অনেক ভাল ১১. মানবতাবাদও সমাজ উন্নয়নে আপনার ভুমিকা কী ? ঘূনে ধরা সমাজকে বদলে দিতে প্রত্যোকের ভূমিকা রাখা উচিত। ১২. আপনার লেখায় নারী প্রসঙ্গটি কিভাবে এসেছে ? নারীদেও অবহেলা, বঞ্চনা ও নির্যাতনের কারণ অনুসন্থান করে তাদেরসমস্যার সমাধানে সকলের এগিয়ে আসা উচিৎ বলে আমি মনে কর্।ি ১৩. মোট লিখার (ধরণ অনুযায়ী পৃথকভাবে ) বিবরন দিন । ডশক্ষা, সাহিত্য, সমাজ, নারী, অথনীতি, স্থানীয় সরকার, থর্ম ও পর্যটন নিয়ে প্রায় ১০০০ লিখা আমার সংগ্রহে রয়েছে। ১৪. স্মরণীয় লিখা কোনটি ? এই শীতেই ঘুরে দেখুন সীতাকোট বিহার।” এ লেখাটি প্রকাশিত হওয়ার দিন “দৃষ্টান্ত ”অনলাইন পত্রিকার পাঠক সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ২৩ হাজার। সাধারণত এ পাঠক সংখ্যা গড়ে ২/৩ হাজার। ১৫. আপনার যে কোন লেখার নীচে লিখা তাকে ক্যাম্পেনার সিডিএলজি। একথার অর্থ কী ? ডঃ আবু তালেব গণতান্ত্রিক স্থানীয় সরকারের একটি নতুন রুপরেখা দিয়েছেন। এর মাধ্যমে ইউনিয়ন , পৌরসভা, উপজেলা, ও জেলা পরিষদে আমরা স্বশাসন চাই। ১৬. যা বলতে চেয়েছেন বলা হয়েছে কী ? মানুষের চাহিদা অফুরন্ত। নির্দিষ্ট সমময়ের মধ্যে সকল কাজ করা অসম্ভব, তারপরও চেষ্টা করছি । ১৭. আপনি কী মনে করেন নতুনদের সুযোগ/অনুপ্রেরণা দেয়া উচিৎ ? কেন ? সাংবাদিকতায় নতুনদের এগিয়ে আসা উচিৎ। ১৮.লিখার ক্ষেত্রে আপনার গুরু বা আদর্শ কে কেন ? এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, দেবিদ্বার প্রতিনিধি দৈনিক প্রথম আলো, ১৯. লিখার ক্ষেত্রে আপনার প্রধান সমস্যা বা বাধা কী ? কিভাবে সমাধানের চেষ্টা করেন ?ন্যান্য কাজ করে সাংবাদিকতায় প্রয়োজনীয় সময় দেয়া যায় না। তারপরও অবসর ও ঘুম থেকে সময় বাঁচিয়ে কাজ করি। ২০ .” আমার সাহিত্যকর্ম আমার স্ত্রী ও সন্তানদের বঞ্চনার ফসল” মন্তব্য করুন ।সূর্যের আলোয় চাঁদ আলোকিত, একজন কলেজ শিক্ষক হিসেবে আমার যতটুকু মর্যাদা রয়েছে, তার অংশীদার আমার স্ত্রী, একজন সাংবাদিক হিসাবে যতটুকু খ্যাতি রয়েছে তার অংশদিারও আমার স্ত্রী-পুত্র । সুতারং এাক বঞ্চনা মনে করার কোন কারণ নেই।
