Explore the Digital Profile of Sharifpur, BaishgaonSmart Village Bangladesh 🇧🇩 | Online Smart Village

শরীফপুর গ্রাম
নিবিড় শান্তি
এটি একটি আদর্শ গ্রাম। এ গ্রামের মানুষ অত্যন্ত ভদ্র এবং বিনয়ের সহিত বসবাস করে।
বাইশগাঁও, মনোহরগঞ্জ, কুমিল্লা
শরীফপুর গ্রাম সম্পর্কে মতামত দিন
গ্রামের সমস্যা, প্রয়োজন ও উন্নয়নের তথ্য জানতে এই জরিপে অংশ নিন।
এক নজরে শরীফপুর
- জনসংখ্যা
- ২০০০+
- আয়তন
- ৩ বর্গ কিমি
- ওয়ার্ড
- ১ নং
- প্রতিষ্ঠাতা
- অজানা
- প্রতিষ্ঠাকাল
- অজানা
পরিচিতি
একটি শরীফপুর আদর্শ গ্রাম সম্পর্কে কিছু মূল কথা নিচে তুলে ধরা হলো: প্রাকৃতিক সৌন্দর্য শরীফপুর গ্রাম মানেই চারদিকে সবুজের সমারোহ। মাঠের পর মাঠ ধানখেত, আঁকাবাঁকা মেঠো পথ, আর থৈ থৈ করা পুকুর বা নদী—সব মিলিয়ে গ্রাম যেন এক জীবন্ত ছবি। সকালে পাখির কিচিরমিচির শব্দে ঘুম ভাঙা আর সন্ধ্যায় গোধূলির রক্তিম আকাশ গ্রামের চিরচেনা রূপ। সহজ-সরল জীবনযাপন গ্রামের মানুষ সাধারণত খুব সাধারণ জীবনযাপন করেন। তাদের মধ্যে শহরের মতো কৃত্রিমতা বা যান্ত্রিকতা নেই। অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকা এবং একে অপরের বিপদে এগিয়ে আসা গ্রামীণ সমাজের বড় বৈশিষ্ট্য। মানুষের মেলবন্ধন ও আতিথেয়তা গ্রামের মানুষ অত্যন্ত অতিথিপরায়ণ। আপনি অপরিচিত হলেও গ্রামের কোনো বাড়িতে গেলে এক গ্লাস পানি বা হাসিমুখে অভ্যর্থনা পাবেন না এমনটা মেলা ভার। উঠোনে বসে পাটি বিছিয়ে গল্প করা কিংবা বটতলায় আড্ডা দেওয়া গ্রাম বাংলার এক অনন্য ঐতিহ্য। উৎসব ও সংস্কৃতি গ্রামের উৎসবগুলো হয় প্রাণবন্ত। নবান্ন উৎসব, বৈশাখী মেলা, হাটবার কিংবা পিঠা উৎসবের আনন্দ শহরে খুঁজে পাওয়া কঠিন। এই উৎসবগুলোই গ্রামের মানুষকে একসূত্রে গেঁথে রাখে। একটি কথা মনে রাখা ভালো: যদিও আধুনিকতার ছোঁয়ায় এখন গ্রামেও বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট এবং পাকা রাস্তা পৌঁছে গেছে, তবুও গ্রামের সেই স্নিগ্ধতা এবং মানুষের আন্তরিকতা আজও অমলিন। শরীফপুর গ্রাম হলো প্রকৃতির কোলে শান্ত-স্নিগ্ধ একটি জনপদ, যা শহরের কোলাহল ও দূষণ থেকে মুক্ত । সবুজ মাঠ, মেঠোপথ, নদী ও মাটির গন্ধ মেশানো গ্রাম বাংলার শেকড়, যেখানে সহজ-সরল মানুষ এবং অকৃত্রিম আতিথেয়তা মিলেমিশে একাকার হয়ে থাকে । এখানে জীবনযাত্রা ধীরস্থির এবং কৃষিনির্ভর, যা মানসিক শান্তির একটি অন্যতম উৎস । শরীফপুর গ্রাম সম্পর্কে কিছু মূল বিষয় নিচে তুলে ধরা হলো: প্রাকৃতিক পরিবেশ: গ্রাম মানেই সবুজে ঘেরা মাঠ, নদী, পাখির ডাক এবং মুক্ত বাতাস । সহজ ও অকৃত্রিম জীবন: গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রা অত্যন্ত সরল এবং তারা পরস্পরের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ায় । অর্থনীতি: গ্রামের প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কৃষি ও ছোটখাটো কুটির শিল্প। তথ্য সংগ্রহ : এ এম আলিমুল ইসলাম
ইতিহাস
শরীফপুর আদর্শ গ্রাম কোনো একদিনে হঠাৎ গড়ে ওঠে না। এর পেছনে থাকে শত বছরের ঐতিহ্য, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং প্রাকৃতিক ও সামাজিক বিবর্তনের এক সমৃদ্ধ আখ্যান। একটি সাধারণ গ্রাম থেকে 'আদর্শ' গ্রামে রূপান্তরের ইতিহাসকে মূলত কয়েকটি স্তরে ভাগ করা যায়:
গ্রাম্য জীবন
শরীফপর আদর্শ গ্রামের গোড়াপত্তন হয়েছিল কোনো নদী বা জলাশয়ের তীরে। উর্বর পলিমাটি এবং সহজলভ্য পানির উৎস দেখে আদি পুরুষরা সেখানে বসতি স্থাপন করেছিলেন। প্রাচীনকালে এই গ্রামগুলো ছিল মূলত কৃষিভিত্তিক। বনজঙ্গল পরিষ্কার করে চাষযোগ্য জমি তৈরি এবং ছোট ছোট কুঁড়েঘর তৈরির মাধ্যমেই শুরু হয় জনপদ।
শিক্ষা ও উন্নয়ন
শরীফপুর গ্রাম ' হয়ে ওঠার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে শিক্ষা। ব্রিটিশ আমলের শেষের দিকে বা পাকিস্তান আমলে যখন গ্রামের কোনো শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি নিজের জমি দান করে প্রথম পাঠশালা বা স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন, তখন থেকেই গ্রামের আধুনিকায়ন শুরু হয়। শিক্ষিত তরুণ সমাজ যখন কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গড়তে এগিয়ে আসে, তখনই গ্রামটি উন্নয়নের পথে হাঁটা শুরু করে।
কৃষি
ধান, গম ও সবজি চাষ।
সামাজিক ও সাংস্কৃতিক
ফুটবল ক্রিকেট ইত্যাদি এবং ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহার ঈদগাহে নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। প্রত্যেকদিন খেলার মাঠে ফুটবল এবং ক্রিকেট খেলা অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য শরীফপুর সাজেদুল হক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফুটবল এবং ক্রিকেট খেলা বিকেল বেলা পরিচালিত হয়।
গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহ
- ডাকাতিয়া নদী
- ঐতিহাসিক পীর শাহ শরীফ মাজার
- শরীফপুর শাহী মসজিদ
পেশা
- বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী শিক্ষক ডাক্তার কৃষক এডভোকেট বিভিন্ন পেশা দিয়ে মানুষের বসবাস
প্রযুক্তি ও উন্নয়ন
- শরীফপুর গ্রামের এরিয়াটা ওয়াইফাই আওতাভুক্ত এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির আওতাধীন শরীফপুর এলাকার প্রত্যেকটি ক্ষেত্র
গ্রামের প্রতিটি বাঁশঝাড়, ক্ষেত-খামার, পুকুর আর কাঁচা রাস্তা বয়ে নিয়ে চলে আমাদের শেকড়ের গল্প।
“আমাদের শেকড়, আমাদের গর্ব — শরীফপুর”



