
mohammod maminul Islam
এলাহাবাদ-
মনে কি পড়ে আলী আশ্রাফ মাস্টার (এলাহাবাদ, দেবিদ্ধার) পিতা মৌলভী আলী আক্কাস সাবেক সহকারী শিক্ষক কুরুইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হোসেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (দেবিদ্ধার)

গ্রামের নতুন গল্প, ছবি ও অনুভূতি জানার জন্য Amar Gram নিউজফিডে ফিরে আসুন।

mohammod maminul Islam
এলাহাবাদ-
মনে কি পড়ে আলী আশ্রাফ মাস্টার (এলাহাবাদ, দেবিদ্ধার) পিতা মৌলভী আলী আক্কাস সাবেক সহকারী শিক্ষক কুরুইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হোসেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (দেবিদ্ধার)

এই পোস্টটি যে গ্রামের
এলাহাবাদ- গ্রাম
গ্রামের ইতিহাস, প্রতিষ্ঠান, পাড়া-মহল্লা ও দর্শনীয় স্থানের তথ্য দেখুন।
গ্রামের মানুষের লেখা আরও কিছু গল্প ও মুহূর্ত।
mohammod maminul Islam
LIVE লগইন জাতীয় রাজনীতি রাজধানী সারাদেশ BN / EN কুমিল্লা মুরাদনগরে বীর মুক্তিযোদ্ধা, অধ্যক্ষ ও সাংবাদিক সহিদুল হকের শোক ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৮ পিএম পাঠক: ৪৪ জন প্রিন্ট ফটোকার্ড 1 অ− অ অ+ মুরাদনগরে বীর মুক্তিযোদ্ধা, অধ্যক্ষ ও সাংবাদিক সহিদুল হকের শোক ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত ফলো করুন ফেসবুক ইউটিউব মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: কুমিল্লার মুরাদনগরে স্বনামধন্য জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, অধ্যক্ষ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদুল হকের প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ, আবেগঘন স্মৃতিচারণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলার কোম্পানীগঞ্জস্থ ‘বাংলা রেস্টুরেন্টে' স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের আয়োজনে এ শোক ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সাংবাদিক এন এ মুরাদের সঞ্চালনায় স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে উপস্থিত অনেকেই মরহুমের স্মরণে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন। স্মরণসভায় উপজেলার সর্বস্তরের গণমাধ্যমকর্মীরা অধ্যক্ষ সহিদুল হকের কর্মময় বর্ণাঢ্য জীবন, শিক্ষকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় তাঁর অসামান্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। পাশাপাশি ১৯৭১ সালের রণাঙ্গনে তাঁর বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা কৃতজ্ঞচিত্তে তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, "অধ্যক্ষ সহিদুল হক কেবল একজন সাংবাদিক বা শিক্ষক ছিলেন না, তিনি ছিলেন মুরাদনগরের আলোর দিশারী। ক্লাসরুমে শিক্ষার আলো ছড়ানো, কলমের ধারে সত্যের বার্তা পৌঁছে দেওয়া এবং তরুণ বয়সে জীবন বাজি রেখে দেশ স্বাধীন করা—সবক্ষেত্রেই তিনি অনন্য ছাপ রেখে গেছেন। তাঁর প্রয়াণে এলাকার বুদ্ধিবৃত্তিক অঙ্গনে যে শূন্যতার সৃষ্টি হলো, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।" অনুষ্ঠানে মরহুমের স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন দৈনিক যুগান্তরের কুমিল্লা ব্যুরো রিপোর্টার আবুল খায়ের, পুলিশ সুপার ও মরহুমের সন্তান নাইমুল হক (নিপু), সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী নাদিমুল হক, মুরাদনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান, দৈনিক যুগান্তরের মুরাদনগর প্রতিনিধি জালাল আহাম্মদ, দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি বেলাল উদ্দিন আহমেদ, মুরাদনগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহবুবুর রহমান আরিফ, সাংবাদিক মোহাম্মদ আলী, সাংবাদিক ও উইকি সংকলক মমিনুল ইসলাম মোল্লা, এনটিভির প্রতিনিধি ইসহাক হাসান, মোহনা টিভির প্রতিনিধি তহিদুর রহমান (টিটু), এশিয়া টিভির প্রতিনিধি আবুল বাশার, সাংবাদিক ইব্রাহিম, বাংগরা প্রেসক্লাবের হাফেজ নজরুল এবং সাংবাদিক মিজান খাঁন প্রমুখ। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাতে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন গুণী এই ব্যক্তিত্ব (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শ্রদ্ধা ও স্মৃতিচারণ সভা শেষে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও চিরশান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মোঃ নুরুল ইসলাম। এতে উপস্থিত সহকর্মী, সুধীজন ও স্বজনেরা অশ্রুসজল চোখে অংশ নেন।
এলাহাবাদ-৬ দিন আগে
মো:সাদ্দাম হোসেন
আমাদের গ্রাম।
সিংগাড়ী২৮ মিনিট আগে
Aman
১ দিন আগে
মিজানুর রহমান মোল্লা
গ্রামের নাম: কুলিয়া ইউনিয়ন: ৪ নং কুলিয়া ইউনিয়ন, মোল্লাহাট, বাগেরহাট আমাদের কুলিয়ার ঐতিহাসিক দৈব মসজিদ আমাদের কুলিয়া গ্রামটি ঐতিহ্য ও সৌন্দর্যে ভরপুর। এই গ্রামের অন্যতম এক অমূল্য নিদর্শন হলো আমাদের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন "দৈব মসজিদ"। এই মসজিদটির নির্মাণশৈলী অত্যন্ত প্রাচীন এবং এটি সম্পূর্ণ চুন-সুরকি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। কালের সাক্ষী এই মসজিদটি ঠিক কত বছর আগের বা কে এটি নির্মাণ করেছিলেন, তার সঠিক ইতিহাস বা সাল-তারিখ আজ আর কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারেন না। এর প্রাচীন গঠনশৈলী আর রহস্যময় ইতিহাস আমাদের গ্রামকে সবসময়ই এক আলাদা গৌরব এনে দিয়েছে। সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হলো, এই ঐতিহাসিক মসজিদটি দেখতে শুধু আমাদের এলাকা বা আশেপাশের থানা-ইউনিয়ন থেকেই নয়, বরং বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে দূর-দূরত্ব থেকে মানুষ ছুটে আসেন। দর্শনার্থী ও ভক্তরা এখানে এসে শুধু মসজিদটি দেখেই ক্ষান্ত হন না, এর উন্নয়নে ও মেরামতের জন্য সাধ্যমতো টাকা দান করেন। এছাড়া অনেকে এখানে বিভিন্ন মান্নত করেন—যেমন ছাগল, মুরগি, হাঁস, নারকেল, দুধ, ডিম ইত্যাদি মানত হিসেবে নিয়ে আসেন। আমাদের এই প্রাচীন নিদর্শনটি আমাদের শিকড় ও ঐতিহ্যের এক দারুণ প্রতীক। আপনারা যারা আমাদের কুলিয়া গ্রামে আসবেন, এই ঐতিহাসিক দৈব মসজিদটি একনজর দেখে যাওয়ার বিনীত আমন্ত্রণ রইল। #ঐতিহাসিক_স্থান, #গ্রামের_জীবন, #শৈশব_স্মৃতি)
১ দিন আগে
গরখা'গ্রাম, Gorkhan,village
খান, কাজি,তালুকদার এবং বংশের মারা মারি, *১. ভূমিকা* মাদারীপুর জেলার সদর উপজেলার অন্তর্গত ঝাউদি ইউনিয়নের একটি ঐতিহ্যবাহী গ্রাম হলো গরখা মোবারকদী। এখানে দীর্ঘদিন ধরে তালুকদার বাড়ি, খান বাড়ি, কাজি বাড়ি সহ বেশ কয়েকটি পরিবার পাশাপাশি মিলেমিশে বসবাস করে আসছে। *২. সামাজিক বন্ধন* এই এলাকার মানুষের মধ্যে আত্মীয়তা ও সামাজিক বন্ধন অত্যন্ত দৃঢ়। যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠান, বিপদ-আপদে সব বাড়ির মানুষ একসাথে থাকতো। এলাকার প্রবীণ ব্যক্তিদের স্থানীয়ভাবে অত্যন্ত সম্মান করা হয় এবং তাদের কথায় অনেক বিরোধের মীমাংসা হতো। *৩. সাম্প্রতিক সমস্যার সূত্রপাত* স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ অনুযায়ী, সম্প্রতি কিছু রাব্বি তালুকদার, রনি তালুকদার, এদের উস্কানিদাতা জামসেদ সরদারের ছেলে, (মোট অনিক) এবং শহিদ শেখের ছেলে অনিক, ব্যক্তির প্রভাবে এলাকায় বিভাজন তৈরি হয়েছে। নিজেদের সুবিধা ও প্রভাব বিস্তারের জন্য একটি একক এলাকাকে মানসিকভাবে দুই ভাগে ভাগ করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে যা ঘটছে: - ছোট ছোট বিষয় নিয়ে গালাগালি ও ঝগড়া - বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ - এক গ্রামের ছোট ছেলেরা অন্য পাসে গেলে বিনা কারণে মারধরের শিকার হওয়া - বয়স্ক ও সম্মানিত ব্যক্তিদের সাথে বেয়াদবিমূলক আচরণ, এই রাব্বি তালুকদার বাবার বয়সি লোক দবির খান, ১০০ মানুষের কাছে জিজ্ঞেস করে দাবির খান কেমন লোক ৯৯ জন লোক বলবে দবির খান ভালো লোক সেই মানুষ টা কে, রাব্বি তালুকদার কাজের সাইডে বসে বেলচা দিয়ে পিটাইছে এটা কি মেনে নেওয়া যায়, 😭 স্থানীয়দের মতে, বেশিরভাগ মানুষই শান্তিপ্রিয়। কিন্তু কিছু উচ্ছৃঙ্খল যুবকের উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে পুরো এলাকার বদনাম হচ্ছে এবং সব পরিবারের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি বাড়ছে। *৪. এর প্রভাব* এই ধরনের ঘটনায় এলাকার সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। শিশু-কিশোরদের মনে ভয় ও বিদ্বেষ ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। পাশাপাশি বসবাসকারী পরিবারগুলোর শত বছরের সম্প্রীতি নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। *৫. প্রত্যাশিত সমাধান* এলাকাবাসীর প্রত্যাশা: ১. ইউনিয়ন পরিষদ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে বসে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা বৈঠক করা। ২. যারা উস্কানি দিচ্ছে তাদের চিহ্নিত করে সামাজিকভাবে বোঝানো এবং প্রয়োজনে আইনের আওতায় আনা। ৩. কোনো ঘটনাকে ব্যক্তিগত প্রতিশোধ না বানিয়ে থানা ও প্রশাসনের মাধ্যমে আইনগতভাবে সমাধান করা। ৪. যুব সমাজকে খেলাধুলা ও সামাজিক কাজে সম্পৃক্ত করা, যাতে তারা বিশৃঙ্খলায় না জড়ায়। *উপসংহার:* গরখা মোবারকদী কোনো বিচ্ছিন্ন এলাকা নয়, এটি একটি পরিবারের মতো। কয়েকজনের ভুলের কারণে পুরো এলাকার শান্তি নষ্ট হতে পারে না। সব বাড়ির শান্তিপ্রিয় মানুষ একসাথে থাকলে বহিরাগত উস্কানি এই দুই অনিক এমনিতেই বন্ধ হয়ে যাবে। ---
গরখান,মোবারকদি২ দিন আগে
মোঃ মোশাররফ হোসেন সাগর
আমাদের বতিহালা গ্রামের সাধারণ মানুষ কে জিম্মি করে রাখে কিছু দালালের দল
বতিহালা২ দিন আগে