Amar Gram: Smart Platform: অ্যাপটি ইনস্টল করুন এবং গ্রামের সাথে সংযুক্ত থাকুন। 🌟Install now 

  • Udpara
  • Udpara
  • Udpara
  • Udpara
স্মার্ট গ্রাম আইডি: V36HW65

Explore the Digital Profile of Udpara, GualkandiSmart Village Bangladesh 🇧🇩 | Online Smart Village

উদপাড়া গ্রামের প্রোফাইল ছবি

উদপাড়া গ্রাম

একটি সুন্দর গ্রাম

এই গ্রামে তিনটি মসজিদ ও একটি মন্দির রয়েছে। এই গ্রামে অনেক শিক্ষক রয়েছেন। এ আগে বনজঙ্গলের মতো ছিলো। তবে এখন জনসংখ্যা বাড়ার কারনে বনজঙ্গল কমে গেছে।গ্রামটির দক্ষিনে রয়েছে একটি ছোট বিল আছে৷ এই গ্রামের মাঠের জমি উর্বর এবং উচু হওয়ায় বছর তিন থেকে ৪ বার ফসল ফলানো সম্ভব।আর এই গ্রামটি একসময় গোয়ালকান্দির জমিদারের অধীনে ছিলো, উদপাড়া গ্রামের পশ্চিমদিকে রয়েছে গোয়ালকান্দিতে অবস্থিত জমিদারবাড়ি। এখনো যার কিছু অংশে মানুষ বসবাস করে তবে বেশিরভাগ অংশ ভেঙে ধ্বংসাবশেষে পরিনত হয়েছে। আর ডাঙার মধ্যে একটি স্থান আছে যেখানে একসময় জাঁকজমকপূর্ন বাজার বসতো, সেটা প্রায় ১৯৪০সালের দিকে। সেই স্থানে একটি শানে বাঁধায় করা পুকুরও রয়েছে।

গোয়ালকান্দি, বাগমারা, রাজশাহী

১৫০ভিউশেয়ার
🤲 আস-সালামু আলাইকুম — উদপাড়া গ্রামের অফিসিয়াল অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম 🌾গ্রামঃ উদপাড়া (Udpara), পোষ্টঃ গোয়ালকান্দি, ইউনিয়নঃ গোয়ালকান্দি, উপজেলাঃ বাগমারা, জেলাঃ রাজশাহী, বিভাগঃ রাজশাহী।অনলাইন গ্রামস্মার্ট ভিলেজ প্ল্যাটফর্ম
গ্রাম জরিপ

উদপাড়া গ্রাম সম্পর্কে মতামত দিন

গ্রামের সমস্যা, প্রয়োজন ও উন্নয়নের তথ্য জানতে এই জরিপে অংশ নিন।

গ্রামের বাস্তব চিত্রসমস্যা ও প্রয়োজনঅনলাইন জরিপ প্রোফাইল

এক নজরে উদপাড়া

জনসংখ্যা
২০০০+
আয়তন
২.৩ বর্গ কিমি
ওয়ার্ড
৬ নং
পাড়া-মহল্লা
৩টি
ব্যক্তিত্ব
১ জন
প্রতিষ্ঠান
৪টি
দর্শনীয় স্থান
১টি
প্রতিষ্ঠাতা
অজানা
প্রতিষ্ঠাকাল
অনেক বছর আগে। ৪০০ বছরেরও বেশি হবে (অজানা)

পরিচিতি

উদপাড়া গ্রামে মুসলিমদের পাশাপাশি হিন্দুদের বসবাস রয়েছে। মুসলিম ও হিন্দুদের সম্পর্ক খুব ভালো। যদিও একে অপরের উৎসবে কেউ যোগ দেয়না কারন ধর্ম যার যার, উৎসব তার তার। একই আইলের একপাশে হিন্দু ভাইয়ের জমি আরেকপাশে মুসলিম ভাইয়ের জমি। এই গ্রামে ৩ টি মসজিদ, একটি মন্দির ও দুটি মাদ্রাসা রয়েছে।একটা এবতেদায়ী,আরেকটা আম্মাপারা শিখানোর। এই গ্রামের অধিকাংশ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। আর তরুনদের অধিকাংশ পেশাজীবী। এই গ্রামে অনেক শিক্ষক আছেন৷ বর্তমানে স্বাক্ষরতার হার ৬৫% প্রায়(নারী পুরুষ সকল জনগন হিসাবে)। গ্রামে বেশ কয়েকটি সমাজ রয়েছে।এসব সমাজ আসলে বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে গঠিত। উত্তরপাড়ায় দুটি বড় সমাজ রয়েছে এবং দক্ষিনপাড়ায় দুটি সমাজ রয়েছে।আর হিন্দুদের সমাজ আলাদা। সমাজের আইন কানুন না মানলে বিভিন্ন শাস্তিও রয়েছে।বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সমাজের লোকেরাই সব কাজে সাহায্য করে। এই গ্রামে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করা মানুষের সাথে অনেকটাই কম। গ্রামের উত্তরপূর্ব,পূর্ব দিকে রয়েছে ডাঙা, মাঠ,যেখানে মানুষ কৃষিকাজ করে থাকে। আর দক্ষিনে রয়েছে বিল। এই গ্রামের মানুষ ধর্মভীরু তবে সবাই নয়।(হিন্দু মুসলিমসহ) তবে গ্রামে কোন নাস্তিক নেই জানামতে। উদপাড়া গ্রামের সাথে সীমানা রয়েছে খাঁপুর,কালুপাড়া,গোয়ালকান্দি, শাহপাড়া হামিরকুৎসা,চন্দ্রপুর ও চেঁউখালি গ্রামের। রায়াপুরের সাথেও থাকতে পারে কিছুটা। গ্রামটিতে বেশ কয়েকটি স্থান রয়েছে যেগুলো রাতেরবেলায় খুব ভীতিকর। যদিও বনজঙ্গল কমে যাওয়ায় তেমন কিছু আর নেই। সেই স্থানগুলো হলো : কালিমন্দির, দক্ষিনপাড়ার দরগার ভিটা, শিবতলা, গুড়িপুকুর,অহিরউদ্দিনের পুরাতন বাড়ি, বটতলা, বানপোকুরা ইত্যাদি। এই গ্রামের জঙ্গলে আগে দুই তিন ধরনের বাঘ পাওয়া যেতো এক সময়।বিভিন্ন বিরল প্রজাতির প্রানীর বাস ছিলো এখানে।তবে সময়ের সাথে সাথে সব হারিয়ে গেছে।বনজঙ্গল আর নেই তেমন। এই গ্রামে প্রায় ৭-৮ টি চায়ের স্টল রয়েছে, এছাড়া কয়েকটি মুদিখানাও রয়েছে।শীতের দিনে রাত ৯টার পর চারিদিক অন্ধকার, নিস্তব্ধ হলেও চায়ের দোকান খোলা থাকে ১১ টার পরও। গ্রামের বেশিরভাগ মানুষই সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে, অধিকাংশ কৃষিকাজের সাথে জড়িত থাকায় শীতকালে ঠান্ডা উপেক্ষা করেই কাজ করতে হয়। চাকুরিজীবী অধিকাংশই শহরে বসবাস করে এবং ছটির সময় বাড়িতে আসে, তাছাড়া অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজে পড়াশোনার কারনে শহরে থাকে। গ্রামটি আমার গ্রাম।আমি এই গ্রামের থেকে ভালো অন্য কোন গ্রামই চিনি না। এই গ্রামটিতে এতো বছর কাঁটানোর পরও হয়তো অনেককিছু এখনো খেয়ালই করা হয়নি। আমার গ্রাম আমার কাছে সবচেয়ে আপন জায়গা।।

ইতিহাস

উদপাড়া গ্রাম অনেক আগে প্রতিষ্ঠিত। গ্রামটি কৃষিপ্রধান, এবং গ্রামের অধিকাংশ মানুষকৃষের সাথে সম্পৃক্ত। গ্রামের মানুষেরা ধর্মীয় দিক থেকে অনেকটা স্বচ্ছ (সবাই নয়)। গ্রামের বয়স্করা বিভিন্ন ধরনের সিদ্ধান্তঃ নিয়ে থাকেন যারা অধিক যোগ্য। গ্রামটি একসময় বনজঙ্গলের মতো ছিলো, রাস্তা,ঘাট তেমন কিছুই ছিলো না, স্বাক্ষরতার হারও অনেক কম ছিলো। তবে বর্তমানে স্বাক্ষরতার হার বাড়ার পাশাপাশি অনেক পরিবর্তন হয়েছে।এই গ্রাম মুক্তিযুদ্ধের সাথেও সম্পর্কযুক্ত। এই গ্রামে মুক্তিযোদ্ধা এবং রাজাকার উভয়ই ছিলো। তৎকালীন ফায়** নামক এক ব্যক্তি ছিলো যে রাজাকারদের সাথে যোগ দিয়েছিলো। হিন্দুদের বাড়িঘর পুড়ানো ও লুট করা হয়েছিলো।

গ্রাম্য জীবন

এখনকার বেশিরভাগ মানুষ কৃষিকাজেই জড়িত। অনেকে শহরে রয়েছে বা দেশের বাইরে। সম্ভাবনা থাকলেও এই গ্রামের আশানুরূপ উন্নতি হয়নি। তবে এ গ্রামে রয়েছে ৩/৪ টি মসজিদ, একটি মন্দির, দুটি মাদ্রাসা।

শিক্ষা ও উন্নয়ন

একটি এবতেদায়ী মাদ্রাসা ও একটি কুরআন পড়া শিখার মাদ্রাসা রয়েছে। এছাড়া অন্য কোন শিক্ষমূলক প্রতিষ্ঠান নেই।

কৃষি

ধান,আলু, পেয়াজ,পাট, সবজি, তরকারি, শরিষা,ভুট্টাসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদন হয় এ গ্রামে।

সামাজিক ও সাংস্কৃতিক

এবতেদায়ী মাদ্রাসার ছোট মাঠে বাচ্চারা খেলাধুলা করে। বড়রা ঈদগাহ মাঠে মিনি ক্রিকেট খেলে। কারন ঈদ ছাড়া বাকি সময় অব্যবহৃত হয়েই পড়ে থাকে মাঠটি। বছরে প্রত্যেকটা সমাজেই একবার দুইবার অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। সেখানে শুধু নির্দিষ্ট সমাজের মানুষই থাকে।এছাড়া বিয়ের মতো সামাজিক অনুষ্ঠানে অসামাজিকভাবে বক্স বাজানোর বিরোধিতা করা হয়। এবতেদায়ী মাদ্রাসায় বাৎসরিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। আর মসজিদ, মাদ্রাসার উন্নতিকল্পে ওয়াজ,মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সেখানে ইসলামিক বিভিন্ন বিষয় যেমন যাকাত,দান ইত্যাদির কথা বিশেষভাবে বলা হয় এবং উক্ত মাহফিলে বিভিন্ন দোকানপাট আসে, সেখানে বাচ্চা থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের মানুষ দেখা যায়। তবে মহিলাদের খুব কম দেখা যায়,গেলেও বোরকা পরিহিত। যাদের লজ্জা নেই সেসব মেয়েরাই বোরকা ছাড়া মাহফিলে যেতে পারে। গ্রামে আগে মাঝে মাঝেই ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো। তবে তা এখন কমে গেছে।সামনে আবারো তা ফিরে আসবে ইনশাআল্লাহ।

গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহ

  • উদপাড়া জামে মসজিদ, ঈদগাহ, উদপাড়া দুর্গামন্দির

পেশা

  • কৃষক,শিক্ষক,ব্যবসায়ী

যোগাযোগ ও অবকাঠামো

  • রাস্তাঘাট: কাঁচা রাস্তা অনেকটাই যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উত্তরপাড়া ও দক্ষিনপাড়ার মধ্যকার রাস্তা, যার ফলে বৃষ্টির দিনে দক্ষিনপাড়া মানুষের দুর্ভোগ সীমাহীন। ,পাকা রাস্তা গ্রামের মধ্য দিয়ে যাওয়া সড়ক, ২ বা ৩ কালভার্ট রয়েছে,বিদ্যুৎ প্রায় ৯৯% বাড়িতে রয়েছে। ওয়াইফাই সুবিধা যেকেউ নিতে পারবে বিল পরিশোধ করার মাধ্যমে।

প্রযুক্তি ও উন্নয়ন

  • ইন্টারনেট কানেকশন রয়েছে, ডিস লাইনও রয়েছে,প্রায় প্রত্যেকের বাড়িতে টিভি রয়েছে। যার মাধ্যমে সবাই দেশের ও দেশের বাহিরের বিভিন্ন খনর জানতে পারে।বর্তমানে চায়ের স্টল ছাড়া বা দোকানে ছাড়া গ্রামের কেউ খবরের কাগজ কিনে না। অনলাইন কাজ সম্পাদনের জন্য বাজারে যাওয়ার প্রয়োজন হয়।

গ্রামের প্রতিটি বাঁশঝাড়, ক্ষেত-খামার, পুকুর আর কাঁচা রাস্তা বয়ে নিয়ে চলে আমাদের শেকড়ের গল্প।

“আমাদের শেকড়, আমাদের গর্ব — উদপাড়া

স্মার্ট গ্রাম অ্যাডমিন